মাঠের বাহিরে বসে ভলিবল খেলাকে যতটা সহজ বলে মনেহয়, খেলতে গিয়ে এটা যে কত কঠিন তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে চিংড়াখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা। বেশ কিছু দিন থেকে তারা অনুশীলনে ফিংগারিং করতে গিয়ে কারো আঙুল মচকিয়ে, বল তুলতে গিয়ে করোবা হাত লাল করে খেলাকে ইস্তফা দিয়ে বাড়ি চলে গেছে। শত চেষ্টা করেও তাদের আর মাঠে ফেরানো সম্ভব হচ্ছে না। ৮জন ছাত্রী দিয়ে শুরু, ভেবেছিলাম ১২জন হবে অথচ এখন তা ৬জনে এসে ঠেকেছে। এর প্রধানত কারণ হল সরকারি নিম্নমানের বল দিয়ে অনুশীলন। ভালো মানের বলের দাম আকাশচুম্বি হওয়ায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে তা কেনার বাজেটও থাকে না।
একেবারে নতুনদেরকে নিয়ে ভলিবল কেনো যেকোনো খেলার দল গঠন করা যে কতটা কঠিন তা ভুক্তভোগীদের আর বলে বুঝাতে হয় না। বিপক্ষ দলের সাথে না খেললে এই ছাত্রীদের খেলার মান কখনই উন্নত হবে না। এরা কার সাথে খেলবে, ছেলেদের সাথে খেলতে গেলে সামাজিক প্রতিবন্ধকতা, তাছাড়া ইভটিজিং এর ভয়। শিক্ষকদের সবসময় পাওয়া যায় না। শত প্রতিকুলতার মাঝে এদেশের অধিকাংশ কো-এডুকেশন ভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এধরনের বিভিন্ন সমস্যা মাথায় নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হয়। সুতরাং ভালো ফলাফল আশা করা কতটুকু সমীচীন তা বলাই বাহুল্য।
দেখার বিষয় ৫১তম শীতকালীন খেলাধুলায় আমাদের চিংড়াখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের ভলিবল মিশন কোন স্তরে গিয়ে থেমে যায় তা এখন সময়ই বলে দেবে।
(আমি ইতিপূর্বে চিংড়াখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় নামের ব্লগ থেকে লেখা পোস্ট করতাম, এখন থেকে সেটা বন্ধ করে আমার নিজের নামে লেখার চেষ্টা করব। ভুলত্রুটি মার্জনীয়, লেখাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।)
মো: আক্তারুজ্জামান ভূঁঞা
ভালো মানের ভলিবলের দাম কত? কোন দেশের তৈরি?
MD. AKHTAR UDDIN AHMED (SHANU)
Mikasa, Made in Japan. অরিজিনাল ভলিবলটির দাম ২৫০০/= টকার উপড়ে। বাজারে এই ব্রান্ডের China বলের দাম ৮০০/= টাকা। এগুলোই আমাদের স্কুলের কিশোরী ক্লাবে একটি এনজিও দিয়েছিল। এমপি মহোদয়ের বরাদ্দ থেকে যে বল দেয়া হয় তার মানও এই ৮০০/= টাকার মত।